সকালবেলা সাপের মতো
কুণ্ডলীতে রই,
বিছানা থেকে উঠে গিয়েও
বিছানাতেই রই।
ভোর হলেই পশ্চিমাতে
হেসে ওঠে উষা,
গাছের পাতায় জমে থাকে
বিন্দু বিন্দু কুয়াশা।
হাড়কাঁপানো রাতের শীতের
অবসান ঘটায় সূর্য,
মাঠের দিকে হাঁটে শ্রমিক
শুরু করতে কার্য।
পরনে লুঙ্গি, গায়ে গেঞ্জি,
মাজায় বেঁধে গামছা,
প্রকট শীতেও কাজে ব্যস্ত,
মাঠ দেখা যায় আবছা।
শীতের দিনে ছোট্টবেলা
পান্তাভাতে কাটে সকাল,
দুপুরবেলা নাইবা খেলো,
রাতের বেলা খায় দু-এক গাল।
অন্যদিকে ধনীর জাতের
শীতের সকাল হয় দুপুরে,
শীতের সময় সকাল শুরু
বিলিতি কফির এক চুমুকে।
দুপুরবেলা আয়েশ করে,
ঘিয়ে ভাতের ছড়াছড়ি,
কেউবা আবার সকালবেলা
চায়ে ভেজায় শুকনো মুড়ি।
শীতের সময় কাজের চিন্তা
রাখেন না তো বাবু সাহেব,
উনুন জ্বলে সব সময়ই,
খেয়ে থাকেন কোফতা-কাবাব।
নতুন শীতে নতুন পোশাক
পুরোনোটা ফেলে দেবে,
শীতের পোশাক বাক্সে করা,
তবুও আবার কিনতে হবে।
কত রকম শখের বাহার
ধনী জাতের অট্টালিকায়,
শীতটা কাটে কারও দুঃখে
কারও কাটে বিলাসিতায়।
প্রকাশকাল: ১৫-১০-২০২৬ইং।
মন্তব্য করুন