মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম স্পেস একাডেমি প্রতিষ্ঠার নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে একাডেমিটি বাস্তবে রূপ দিতে পুরোদমে কাজ শুরু করেছে নাসা।
গত ৯ সেপ্টেম্বর নাসা প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান প্রথম প্রেসিডেন্সিয়াল কমিশনের সভায় সভাপতিত্ব করেন। এর পরপরই নাসা আগ্রহী রাজ্যগুলোর গভর্নরদের কাছ থেকে মতামত চেয়ে একটি Request for Information (RFI) প্রকাশ করেছে।
নাসা প্রশাসক বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইউএস স্পেস একাডেমির স্বপ্নের পেছনে কতটা মেধা ও প্রতিশ্রুতি রয়েছে তা আমাদের প্রথম কমিশন সভায় স্পষ্ট হয়েছে। আমি সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞ, তারা দ্রুত কাজ শুরু করেছেন। এখন RFI প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের রাজ্যগুলোর কাছে আমেরিকার মহাকাশ ভবিষ্যতের জন্য নির্মিত এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান গঠনে সহায়তা করার সুযোগ রয়েছে।”
ওয়াশিংটনে নাসা সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে নাসা প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান এবং ডেপুটি প্রশাসক ম্যাট অ্যান্ডারসন ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন যুদ্ধ সচিব পিট হেগসেথ, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের পরিচালক কেভিন হ্যাসেট, মার্কিন বিমান বাহিনীর সচিব ট্রয় মিঙ্ক এবং হোয়াইট হাউসের প্রযুক্তি কর্মকর্তা ইথান ক্লেইন। এছাড়া ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট অফিস, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এবং হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
বৈঠকে প্রস্তাবিত ইউএস স্পেস একাডেমির কাঠামো ও অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে রয়েছে এর পরিচালনা ব্যবস্থা, পাঠ্যক্রম, সেবার প্রতিশ্রুতি, অংশীদারিত্ব এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা।
নাসার ডেপুটি প্রশাসক ম্যাট অ্যান্ডারসন বলেন, “ইউএস স্পেস একাডেমির অবস্থান এর সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা রাজ্যগুলোকে তাদের সেরা পরিকল্পনা নিয়ে আসতে বলছি- অবকাঠামো, অংশীদারিত্ব এবং এমন একটি কমিউনিটি যা এই মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে।”
গত ২৮ আগস্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার পর থেকে কমিশনের ১২০ দিনের সময়সীমা শুরু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্টের কাছে একাডেমি প্রতিষ্ঠা এবং আমেরিকার দীর্ঘমেয়াদী মহাকাশ লক্ষ্য পূরণে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত মেধা ও নেতৃত্ব তৈরির বিষয়ে সুপারিশ জমা দিতে হবে।
RFI অনুযায়ী একটি উচ্চাভিলাষী সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে:
- ২০২৭ সালের মধ্যে: ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ২০২৮ সালে: অস্থায়ী ক্যাম্পাসে প্রথম ৩০০ শিক্ষার্থী ভর্তি
- ২০৩১ সালের মধ্যে: স্থায়ী ক্যাম্পাসে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু
RFI-এর উত্তর জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা (EDT)। প্রতিটি রাজ্য তাদের গভর্নরের মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে একটি করে প্রস্তাব জমা দিতে পারবে। প্রস্তাবে ক্যাম্পাসের অবস্থান, সাইট প্রস্তুতি, পরিবেশগত ও নিয়ন্ত্রক বিষয় এবং আশেপাশের সহায়ক ইকোসিস্টেম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এই একাডেমি হবে অনেকটা মিলিটারি একাডেমির মতো, যেখানে দেশের সেরা মেধাবীরা মহাকাশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং নেতৃত্বে প্রশিক্ষণ নিয়ে আমেরিকার মহাকাশ আধিপত্য ধরে রাখতে কাজ করবে।
তথ্যসূত্র: NASA
প্রকাশ: ১২-০৯-২০২৬ ইং।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম স্পেস একাডেমি প্রতিষ্ঠার নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে একাডেমিটি বাস্তবে রূপ দিতে পুরোদমে কাজ শুরু করেছে নাসা।
গত ৯ সেপ্টেম্বর নাসা প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান প্রথম প্রেসিডেন্সিয়াল কমিশনের সভায় সভাপতিত্ব করেন। এর পরপরই নাসা আগ্রহী রাজ্যগুলোর গভর্নরদের কাছ থেকে মতামত চেয়ে একটি Request for Information (RFI) প্রকাশ করেছে।
নাসা প্রশাসক বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইউএস স্পেস একাডেমির স্বপ্নের পেছনে কতটা মেধা ও প্রতিশ্রুতি রয়েছে তা আমাদের প্রথম কমিশন সভায় স্পষ্ট হয়েছে। আমি সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞ, তারা দ্রুত কাজ শুরু করেছেন। এখন RFI প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশের রাজ্যগুলোর কাছে আমেরিকার মহাকাশ ভবিষ্যতের জন্য নির্মিত এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান গঠনে সহায়তা করার সুযোগ রয়েছে।”
ওয়াশিংটনে নাসা সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে নাসা প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান এবং ডেপুটি প্রশাসক ম্যাট অ্যান্ডারসন ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন যুদ্ধ সচিব পিট হেগসেথ, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের পরিচালক কেভিন হ্যাসেট, মার্কিন বিমান বাহিনীর সচিব ট্রয় মিঙ্ক এবং হোয়াইট হাউসের প্রযুক্তি কর্মকর্তা ইথান ক্লেইন। এছাড়া ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট অফিস, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এবং হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
বৈঠকে প্রস্তাবিত ইউএস স্পেস একাডেমির কাঠামো ও অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে রয়েছে এর পরিচালনা ব্যবস্থা, পাঠ্যক্রম, সেবার প্রতিশ্রুতি, অংশীদারিত্ব এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা।
নাসার ডেপুটি প্রশাসক ম্যাট অ্যান্ডারসন বলেন, “ইউএস স্পেস একাডেমির অবস্থান এর সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা রাজ্যগুলোকে তাদের সেরা পরিকল্পনা নিয়ে আসতে বলছি- অবকাঠামো, অংশীদারিত্ব এবং এমন একটি কমিউনিটি যা এই মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে।”
গত ২৮ আগস্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার পর থেকে কমিশনের ১২০ দিনের সময়সীমা শুরু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্টের কাছে একাডেমি প্রতিষ্ঠা এবং আমেরিকার দীর্ঘমেয়াদী মহাকাশ লক্ষ্য পূরণে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত মেধা ও নেতৃত্ব তৈরির বিষয়ে সুপারিশ জমা দিতে হবে।
RFI অনুযায়ী একটি উচ্চাভিলাষী সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে:
- ২০২৭ সালের মধ্যে: ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ২০২৮ সালে: অস্থায়ী ক্যাম্পাসে প্রথম ৩০০ শিক্ষার্থী ভর্তি
- ২০৩১ সালের মধ্যে: স্থায়ী ক্যাম্পাসে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু
RFI-এর উত্তর জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা (EDT)। প্রতিটি রাজ্য তাদের গভর্নরের মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে একটি করে প্রস্তাব জমা দিতে পারবে। প্রস্তাবে ক্যাম্পাসের অবস্থান, সাইট প্রস্তুতি, পরিবেশগত ও নিয়ন্ত্রক বিষয় এবং আশেপাশের সহায়ক ইকোসিস্টেম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এই একাডেমি হবে অনেকটা মিলিটারি একাডেমির মতো, যেখানে দেশের সেরা মেধাবীরা মহাকাশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং নেতৃত্বে প্রশিক্ষণ নিয়ে আমেরিকার মহাকাশ আধিপত্য ধরে রাখতে কাজ করবে।
তথ্যসূত্র: NASA
প্রকাশ: ১২-০৯-২০২৬ ইং।
মন্তব্য করুন