লেখক: ডা. গোলাম রহমান ব্রাইট
মুখোশের অন্তরালে কত মুখ, কত অচেনা রূপ, ছলনার কুহেলিকায় বিবেক হয় নিঃশব্দ, চুপ। লোভের লেলিহান শিখা দগ্ধ করে শুভবোধ, অহমিকার অন্ধকারে হারিয়ে যায় ন্যায়বোধ।
যে বীজ একদিন বুনেছি অজ্ঞানতার মাটিতে, আজ তারই বিষলতা জড়ায় জীবনের প্রান্তে। পদস্খলনের প্রতিধ্বনি ফিরে আসে অন্তরে, অপরাধের কালিমা জমে নীরব অশ্রুধারে।
অদৃশ্য আবর্তে আজও ঘুরে মরে ক্লান্ত প্রাণ, মোহের মরীচিকায় ঢেকে যায় সত্যের সন্ধান। স্বার্থের কুটিল ছায়া দীর্ঘতর হয় প্রতিক্ষণ, নিভৃত অন্তঃপুরে জেগে থাকে অনুতাপের ক্ষণ।
তবু ধ্বংসের ভস্মে লুকিয়ে থাকে পুনর্জন্ম, প্রায়শ্চিত্তের অগ্নিতে জেগে ওঠে সুপ্ত ধর্ম। একদিন অন্তর্দীপ জ্বালিয়ে অন্ধকার ভেদ করব, নিজেরই নির্মিত কারাগার ভেঙে বাইরে ফিরব।
যতক্ষণ শ্বাস আছে, ততক্ষণ সংশোধনের দ্বার। মানুষ হারায় না মনুষ্যত্ব, যদি জাগে অন্তরাত্মার।
রচনাকাল: ০৮-০৯-২০২৬ইং।
মুখোশের অন্তরালে কত মুখ, কত অচেনা রূপ, ছলনার কুহেলিকায় বিবেক হয় নিঃশব্দ, চুপ। লোভের লেলিহান শিখা দগ্ধ করে শুভবোধ, অহমিকার অন্ধকারে হারিয়ে যায় ন্যায়বোধ।
যে বীজ একদিন বুনেছি অজ্ঞানতার মাটিতে, আজ তারই বিষলতা জড়ায় জীবনের প্রান্তে। পদস্খলনের প্রতিধ্বনি ফিরে আসে অন্তরে, অপরাধের কালিমা জমে নীরব অশ্রুধারে।
অদৃশ্য আবর্তে আজও ঘুরে মরে ক্লান্ত প্রাণ, মোহের মরীচিকায় ঢেকে যায় সত্যের সন্ধান। স্বার্থের কুটিল ছায়া দীর্ঘতর হয় প্রতিক্ষণ, নিভৃত অন্তঃপুরে জেগে থাকে অনুতাপের ক্ষণ।
তবু ধ্বংসের ভস্মে লুকিয়ে থাকে পুনর্জন্ম, প্রায়শ্চিত্তের অগ্নিতে জেগে ওঠে সুপ্ত ধর্ম। একদিন অন্তর্দীপ জ্বালিয়ে অন্ধকার ভেদ করব, নিজেরই নির্মিত কারাগার ভেঙে বাইরে ফিরব।
যতক্ষণ শ্বাস আছে, ততক্ষণ সংশোধনের দ্বার। মানুষ হারায় না মনুষ্যত্ব, যদি জাগে অন্তরাত্মার।
রচনাকাল: ০৮-০৯-২০২৬ইং।
মন্তব্য করুন