একটা একটা করে বর্ণমালার বুক চিরে খুঁজেছি,
কিছু অনাহূত বর্ণমালা সাজিয়ে শব্দ খুঁজেছি,
শব্দের পর শব্দ বসিয়ে বাক্য খুঁজেছি,
একটা কবিতা লেখার আশায়-
সারাদিনমান একটা মুখ খুঁজেছি।
যে মুখে নিহিত আছে আমার বর্ণমালা,
আমার কবিতার শব্দগুচ্ছ-
যার হাসিতে লুকিয়ে আছে বাক্যশৈলী।
বর্ণমালাগুলো ভীষণ স্বেচ্ছাচারী!
রক্তচক্ষু দেখিয়ে শাসায় আমায়,
কবিতার উৎস কোথায় তোমার?
বুঝতে পারি কবিতা পাড়ায় ধর্মঘট হয়েছে!
কী নিদারুণ অসহায় আমি!
তুমি ছাড়া কবিতারাও দেয় আমাকে ছুটি।
কেন তুমি নিয়ে যাও আমার বর্ণমালা!
এমন একাকিত্বে আমি কখনো ভুগিনি।
তোমার অভিমানে বর্ণমালাও কেঁদে ওঠে,
নেমে আসে- শ্মশানের নীরবতা কবিতা পাড়ায়,
আমি কেবল দগ্ধ হতে থাকি এমন বৈরিতায়।
যতবার বর্ণমালাগুলো সাজিয়েছি-
ততবার স্লোগান শুনেছি, একটা কবিতাও হবে না,
না এলে কবিতার পটভূমি।
বর্ণমালার ভাঁজে ভাঁজে তোমার প্রতিচ্ছবি।
বুঝে গেলাম, তুমি ছাড়া আমার কবিত্ব অসহায়,
ভীষণ অসহায় আমি!
আমার কবিতার বর্ণমালাই তুমি।
বি.দ্র: লেখাটি পান্ডুলিপি সংরক্ষিত৷
রচনাকাল: ৩১-০৩-২০২১ইং৷
সিরাজগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ৷
মন্তব্য করুন